শাহরাস্তি উপজেলায় মাদক ও অপরাধ দমনে নতুন গতি এনেছেন শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মাহবুবুর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পেশাদারিত্ব, মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও তদন্ত দক্ষতার সমন্বয়ে তিনি যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তা ইতোমধ্যেই স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
চাঁদপুর জেলা পুলিশের অধীনে পিবিআই এবং চট্টগ্রামের রাউজান থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে তিনি শাহরাস্তি মডেল থানার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। যোগদানের শুরু থেকেই মাদক নির্মূল ও পরোয়ানাভুক্ত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছেন।
তার দক্ষ নেতৃত্ব ও কার্যকর উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি সম্প্রতি চাঁদপুর জেলার ‘বেস্ট অফিসার ইনচার্জ’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, যা তার পেশাদারিত্ব ও সাফল্যেরই প্রমাণ বহন করে।
তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসজুড়ে শাহরাস্তি থানা পুলিশ একের পর এক সফল অভিযান পরিচালনা করে। ইয়াবা ও গাঁজাসহ একাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট থেকে। প্রতিটি ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা রুজু এবং আসামিদের দ্রুত বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়, যা পুলিশের পেশাদার আচরণের স্পষ্ট উদাহরণ।
শুধু মাদক নয়, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা পরোয়ানাভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেপ্তারেও সমান গুরুত্ব দেন ওসি মীর মাহবুবুর রহমান। দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই একাধিক সিআর ও জিআর মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করা হয়। এতে করে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যকারিতা নতুন করে দৃশ্যমান হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নিয়মিত টহল, দ্রুত অভিযানের সিদ্ধান্ত এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ বাড়ানোর কারণে অপরাধীরা এখন অনেকটাই চাপে রয়েছে। মাদক কারবারি ও অপরাধীদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে পুরো উপজেলায়।
শাহরাস্তি থানা সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। দায়িত্বশীল নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ে কঠোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে ওসি মীর মাহবুবুর রহমান শাহরাস্তিকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
সব মিলিয়ে বলা যায়, শাহরাস্তি মডেল থানার বর্তমান কার্যক্রম শুধু আইন প্রয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার জায়গাটিকেও আরও শক্তিশালী করছে।















